কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
তোমারই জন্মে শুধু এই বেঁচে থাকা
কথা আমারই কথা... ও...
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
বুকের মাঝে বড় কষ্ট নিয়ে
বয়ে চলে আমারই জীবন
কোন অনুভূতি নেই হৃদয়ে আমার
সে শুধু তোমারই কারণ
নিরঘুম প্রতিরাত যায় কেটে যায়
কি যে এক নিঃসঙ্গতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
বড় একা হয়ে গেছি আমি
কেউ নেই আমারই পাশে
আমার সুখের আঁধ হারিয়ে গেছে
বেদনার নীল আকাশে
কিছুতে যায় না ভোলা তোমাকে
এ আমার অপারগতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
তোমারই জন্মে শুধু এই বেঁচে থাকা
কথা আমারই কথা... ও...
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
প্রেম তো চরের জমি নয়
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
সবই আছে, তবু জীবন মিছে মনে হয়
জীবনেতে আসে যদি প্রেমের পরাজয়
বন্ধু, জীবনেতে আসে যদি প্রেমের পরাজয়
প্রেম তো বসতবাড়ি নয়, দলিল করে রাখা হয়
প্রেম তো বসতবাড়ি নয়, দলিল করে রাখা হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
রীতিনীতি, শাসন-বারণ প্রেমে কি আর হয়
সব কিছুরই শেষ আছে, প্রেমের মরণ নয়
বন্ধু, সব কিছুরই শেষ আছে, প্রেমের মরণ নয়
প্রেম তো জোতির্বিদ্যা নয়, গণক দিয়ে গোনা হয়
প্রেম তো জোতির্বিদ্যা নয়, গণক দিয়ে গোনা হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
একতারা বাজাইও না
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ট্রেডিশনাল
সুরঃ ট্রেডিশনাল
তোমরা একতারা বাজাইও না, দোতারা বাজাইও না
একতারা বাজাইও না, ঢাক-ঢোল বাজাইও না
গীটার আর বংগ বাজাও রে
ও তোমরা গীটার আর বংগ বাজাও রে
একতারা বাজাইলে মনে পইড়া যায়
আমার একতারা বাজাইলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
আলতা পরিও না, তোমরা শাড়ি পরিও না
আলতা পরিও না, শাড়ি পরিও না
প্যান্ট আর ম্যাক্সি পরো রে
তোমরা প্যান্ট আর ম্যাক্সি পরো রে
আলতা শাড়ি পরিলে মনে পইড়া যায়
আমার আলতা শাড়ি পরিলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
সুক্ত রাঁধিও না, তোমরা পায়েস রাঁধিও না
সুক্ত রাঁধিও না, পায়েস রাঁধিও না
মোগলাই আর চাইনিজ রাঁধো রে
ও তোমরা চাইনিজ আর মোগলাই রাঁধো রে
সুক্ত পায়েস রাঁধিলে মনে পইড়া যায়
আমার সুক্ত পায়েস রাঁধিলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
জারি গাইও না, বাউল গাইও না
তোমরা কীর্তন গাইও না, বাউল গাইও না
ডিস্কো আর রকই গাও রে
তোমরা ডিস্কো আর রকই গাও রে
কীর্তন বাউল গাইলে মনে পইড়া যায়
আমার কীর্তন বাউল গাইলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
প্রহরী
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
সুরঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তোমায় নিয়ে হতেও পারে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তুমি কারো দিকে দিও নাকো দৃষ্টি
এতে হতে পারে মহা অনাসৃষ্টি
তুমি কারো দিকে দিও নাকো দৃষ্টি
এতে হতে পারে মহা অনাসৃষ্টি
হতে পারে সবার বুকে
কোনো এক আগুনের বৃষ্টি
সেই আগুনের প্রতিক্রিয়া
থাকতে পারে শতবর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তুমি যারে দেবে তোমারই এ মনটা
জানি চলে যাবে তারই জীবনটা
তুমি যারে দেবে তোমারই এ মনটা
জানি চলে যাবে তারই জীবনটা
একজনকে শুধু ভালোবেসে
বাজিও না মৃত্যুর ঘন্টা
সুন্দরীদের মাঝে যেন
একজনই তুমি আদর্শ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তোমায় নিয়ে হতেও পারে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
ও ডাক্তার
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
সুরঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
ছুরি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
এই মেয়েটির জন্য বুকে আমার এই অসহ্য ব্যথা
এই ব্যথার মাঝেও লাগছে ভালো বলতে তারই কথা
এই মেয়েটির জন্য বুকে আমার এই অসহ্য ব্যথা
এই ব্যথার মাঝেও লাগছে ভালো বলতে তারই কথা
দেখবেন কোনো মতেই যেন ঘুম থেকে না জাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
এই মেয়েটির জন্য আহার-নিদ্রা সবই গ্যাছে চলে
তবু বেঁচে আছি পৃথিবীতে, মেয়েটি আছে বলে
এই মেয়েটির জন্য আহার-নিদ্রা সবই গ্যাছে চলে
তবু বেঁচে আছি পৃথিবীতে, মেয়েটি আছে বলে
দু’জনারই প্রেমের বন্ধন রাগ আর অনুরাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
ছুরি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
চন্দনা গো
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ এ হাই আল হাদী
সুরঃ আবিদ হোসাইন
চন্দনা গো, রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো.. চন্দনা গো… রাগ করো না
সময় চলে যায়, মন শুধু জ্বলে যায়
তৃষ্ণার জল নিয়ে এসো না তবে
ও.. সময় চলে যায়, মন শুধু জ্বলে যায়
তৃষ্ণার জল নিয়ে এসো না তবে
চন্দনা গো... রাগ করো না
সব গান থেমে যায়, সব ফুল ঝরে যায়
লজ্জা বসন ছেড়ে এসো না তবে
ও.. সব গান থেমে যায়, সব ফুল ঝরে যায়
লজ্জা বসন ছেড়ে এসো না তবে
চন্দনা গো... রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো... চন্দনা গো… রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো... চন্দনা গো…
এক পশলা বৃষ্টিতে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আশরাফ বাবু
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে...
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে...
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
দেখা হতো চুপি চুপি কিছুটা সময়
কথা হতো চোখে চোখে তাও বেশি নয়
ভালো লাগা এত বেশি ছিল দু’জনায়
ভালোবাসি এ কথাটি আসেনি ভাষায়
তাই বুঝি স্মৃতির মেঘেরা ভিজিয়ে গেল আমাকে
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
চেয়েছিল দুটি মন এক হয়ে যায়
সে চাওয়া রয়ে গেল আশায় আশায়
অপারগতায় যদি অপরাধী হই
থাক না স্মৃতিটুকু এ পর্যন্তই
কোন ভুলে এমনটা হলো কার সেই সৃষ্টিতে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি দিনে আমাকে?
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ মাহফুজুর রহমান
সুরঃ শেখ সাদী খান
তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে
ফুল নিতে আসতে
জানিনা তুমি ফুল না আমাকেই
বেশি ভালবাসতে
প্রতিদিন তুমি দেখতে আমায়
গোলাপের আড়ালে লুকিয়ে
যখনই চোখে চোখ পড়তো
লজ্জায় যেতে শুধু পালিয়ে।
কি ছিল তোমার মনে
কি ছিল তোমার মনে
পারিনি তা আজো জানতে
স্বপনের মত গেলে কোথায়
অজানাই হারিয়ে কে জানে
নিরবেই চির দিনটাই তো
স্বপ্নের বাঁশী বাজে এ প্রাণে
পারিনি আমি আজো
পারিনি আমি আজো
সেই স্মৃতির ইতি টানতে
আমার চোখের দেখা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
মুখটি তোমার পূর্ণিমার চাঁদ মনটা অমাবস্যা
আমি হাড়ে হাড়ে বুঝিরে বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
মিষ্টি কথার অন্তরালে দংশ করার মন্ত্র
কিভাবে যে মন ভাঙা যায় করতে ষড়যন্ত্র
ও... মিষ্টি কথার অন্তরালে দংশ করার মন্ত্র
কিভাবে যে মন ভাঙা যায় করতে ষড়যন্ত্র
তোমায় না চেনার এ মাশুল রে আমি দেবো এ জীবন ভরে
বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
তাহলে কি ভেবে নেবো
তাহলে কি ভেবে নেবো
তোমার সময় এখন ভালো নয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
চেয়েছিলে সুখী যেন আমি না হই
ব্যথারই অথৈ জলে শুধু ডুবে রই
ও চেয়েছিলে সুখী যেন আমি না হই
ব্যথারই অথৈ জলে শুধু ডুবে রই
তোমার অভিশাপের মাঝেও জীবন
যদি আরো ভালো রয়
তাতে তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
এক মাঘে কি আর শীত চলে যায়
সবারই সময় কি একই থাকে হায়
ও এক মাঘে কি আর শীত চলে যায়
সবারই সময় কি একই থাকে হায়
তোমার পথের কাঁটা গোলাপ হয়ে
কারো মন করে জয়
তাতে তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
তাহলে কি ভেবে নেবো
তাহলে কি ভেবে নেবো
তোমার সময় এখন ভালো নয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
জন্মিলে মরিতে হবে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
জন্মিলে মরিতে হবে
ওরে…এ ভবের রঙ্গ
হবে যে ভঙ্গ সবই
সাধেরি অঙ্গ তোমার
মাটিতে মিলাবে
ওরে ও ভাই
হুঁশ কারো নাই
জীবনের সময় বেশীদিনের নয়
কে খাবে তোমার এ সঞ্চয়
ওরে…বেশী খাওয়ার জায়গা নাই
তবু করো খাই খাই
এ খাওয়ার রাস্তা তোমার
বন্ধ হয়ে যাবে
ওরে ও ভাই
হুঁশ কারো নাই
নামের আগে পরিচয়
গায়ে লেখো মহাশয়
ও পারে নাম দিয়া কি হয়
ওরে…মাটির ঘরের বিছানা
সবারইতো ঠিকানা
রাজা প্রজা বিচারপতি
একই বিচার পাবে
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
কত রাতে তোমাকেই খুঁজেছি একা,
মায়াবী জোছনায় হলো না দেখা।
কত রাতে তোমাকেই খুঁজেছি একা,
মায়াবী জোছনায় হলো না দেখা।
স্মৃতির চাদরে মোড়া সেই দিনগুলো
আজও দেয় মনে বারবার হুঙ্কার...
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার।
ভুলে যাওয়া এত কি সহজ বলো?
মন বলে তুমি আজও আমারই তো হোলো।
ভুলে যাওয়া এত কি সহজ বলো?
মন বলে তুমি আজও আমারই তো হোলো।
অঝোরে ঝরে যায় চোখেরই জল
প্রেমের সাগরে নামে বুঝি জোয়ার...
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমি নির্বাসনে যাবো না,
মাথা ভরা জটা চুলে মুনি-ঋষি হবো না।
আমি তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি,
তুমি ছাড়া হাসতে পারি,
পারি আমি পালটে দিতে তোমার মিছে ধারণা—
আমি নির্বাসনে যাবো না।
পাগল হয়ে পাগলা গারদ ধরে কভু কাঁদবো না,
দাড়ি-গোঁফে মুখটা ঢেকে দেবুবাবু সাজবো না।
পাগল হয়ে পাগলা গারদ ধরে কভু কাঁদবো না,
দাড়ি-গোঁফে মুখটা ঢেকে দেবুবাবু সাজবো না।
আমি ভালোবাসার মূল্য জানি,
ভালোবেসে মরতে জানি,
মন থেকে মুছতে জানি তোমার মতো ললনা—
আমি নির্বাসনে যাবো না।
গভীর রাতে স্বপ্ন দেখে দুঃখ পেয়ে কাঁদবো না,
কবি হয়ে কাব্য লিখে তোমায় নিয়ে ভাববো না।
গভীর রাতে স্বপ্ন দেখে দুঃখ পেয়ে কাঁদবো না,
কবি হয়ে কাব্য লিখে তোমায় নিয়ে ভাববো না।
আমি মনের মানুষ ঠিকই চিনি,
বুকের মাঝে টানতে জানি,
আস্তাকুঁড়ে ফেলতে পারি তোমার দেওয়া ছলনা—
আমি নির্বাসনে যাবো না,
মাথা ভরা জটা চুলে মুনি-ঋষি হবো না।
আমি তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি,
তুমি ছাড়া হাসতে পারি,
পারি আমি পালটে দিতে তোমার মিছে ধারণা—
আমি নির্বাসনে যাবো না,
আমি নির্বাসনে যাবো না।
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা,
কেটে গেছে যেন কোনো তীক্ষ্ণ ছুঁচে!
তুমি আজও আছো আগের মতোই ভালো,
আমি শুধু পুড়ে মরি স্মৃতির আঁচে।
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা...
কত আশা নিয়ে বেঁধেছিনু ঘর,
সব কিছু আজ কেন হলো যে পর?
কত আশা নিয়ে বেঁধেছিনু ঘর,
সব কিছু আজ কেন হলো যে পর?
অবুঝ এ মনে জমে আছে ব্যথা,
কাকে গিয়ে আজ বলবো সে কথা?
চোখের পাতায় শুধু জমা হলো জল,
তুমি ছাড়া এ জীবনে কে আছে বল?
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা...
সুখের প্রদীপ জ্বেলে মনের মন্দিরে,
আজ কেন তুমি গেলে গো দূরে ফিরে?
সুখের প্রদীপ জ্বেলে মনের মন্দিরে,
আজ কেন তুমি গেলে গো দূরে ফিরে?
পথ চেয়ে একা কাটে যে সময়,
তুমি ছাড়া আমার তো কেউ বা নাই।
ভাঙা এ হৃদয়ে আজও শুধু তোমারই,
অফুরন্ত ভালোবাসা খুঁজে আমি বেড়াই।
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা,
কেটে গেছে যেন কোনো তীক্ষ্ণ ছুঁচে!
তুমি আজও আছো আগের মতোই ভালো,
আমি শুধু পুড়ে মরি স্মৃতির আঁচে।
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
বসন্ত ছুঁয়েছে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আশরাফ বাবু
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
বসন্ত ছুঁয়েছে আমাকে
ঘুমন্ত মন তাই জেগেছে
এখন যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
বিমূর্ত সন্ধ্যার গোধুলিতে
প্রিয় প্রসঙ্গ (?) হয়েছে
জীবন সেখানে থেমে যায়
যেখানে খুঁজেছি তোমার
তাই যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
নিবিড় প্রেমের কাহিনীতে
স্মৃতিগুলো উঁকি দেয়
চাওয়া পাওয়ার হিসেবে
কিছুই যে থাকে না শেষে
তাই যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ অরুন চৌধুরী
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
যে শিকারী দেখে দেখে না
সে অন্ধ শিকারী জানেনা
এক জীবনে ভালবাসা আসে কি আসেনা
পৃথিবীর এই যে নিয়ম কভু সুখ কভু বেদনা।
চমকে যাওয়া চোখের কোণে অন্য সুরের খেলা
হঠাত যেন ভোরের ফুল ফোটে বিকেল বেলা
জীবনের এই যে নিয়ম বিষ্ময়ের রঙ্গীন সুতোয়
নতুন গল্প বোনা।
ব্যাথার ঝড়ে কুড়িয়ে পাওয়া অনুভবের ফুল
হঠাত সুখে ভেসে যাওয়া দুঃখ ব্যাথা ভুল
জীবনের এই যে নিয়ম
বুক ভরা অভিমানে শুধুই আনাগোনা।।
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ কাওসার আহমেদ চৌধুরী
সুরঃ লাকী আকন্দ
যেখানে সীমান্ত তোমার
সেখানে বসন্ত আমার
ভালোবাসা হৃদয়ে নিয়ে
আমি বারে বার আসি ফিরে
ডাকি তোমায় কাছে
হাজার ফুলে ছেয়েছে যে পথ
আমি চিনি চিনি সে ঠিকানা
তোমার মনের নীরব ভাষা
সেতো আমার আছে জানা
আমিতো চাইনা তোমার এ দ্বিধা
ভেঙ্গে দাও কাঁচেরই বাধা
সীমার বাঁধন ছিঁড়ে তুমি
ধরা দাও আমারই কাছে
যেখানে সীমান্ত তোমার
সেখানে বসন্ত আমার
ভালোবাসা হৃদয়ে নিয়ে
আমি বারে বার আসি ফিরে
ডাকি তোমায় কাছে
ঝড়ের দিনে খুলেছে যে পথ
আমি জানি জানি তার বেদনা
নতুন আলোর জোয়ার এলে
আমি চাই তারে দিতে আশা
তুমি কি চাওনা সোনালী দিনে
সোনালী সুখেরই সারা
কাঁটার আঘাত ভুলে তুমি
এসো এই ফুলেরই কাছে
যেখানে সীমান্ত তোমার
সেখানে বসন্ত আমার
ভালোবাসা হৃদয়ে নিয়ে
আমি বারে বার আসি ফিরে
ডাকি তোমায় কাছে
একদিন তোমরা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ নজরুল ইসলাম বাবু
সুরঃ শেখ সাদী খান
একদিন তোমরা সবাই আমাকে.
মাটি চাপা দিয়ে লোবান
জালিয়ে চলে আসবে.
জীবনের সব খেলা.
শেষ হবে শেষ হবে...
কোনদিন জানি আর হবেনা দেখা.
কবরের আঁধারে থাকবো একা
পুরোনো কথা গুলো..
উড়াবে স্মৃতির ধুলো.
সব নিরাশা ইতি কথা হবে..
একদিন তোমরা সবাই আমাকে.
মাটি চাপা দিয়ে..
সেই দিন আমি আর ফিরবো নাকো.
বলবোনা তোমাকেও একটু থাকো
শরনের আলো হাসি.
বাজাবে বিষের বাশি..
সব সুর বিশাদের স্বরলিপি হবে..
একদিন তোমরা সবাই আমাকে.
মাটি চাপা দিয়ে লোবান জালিয়ে
চলে আসবে.
জীবনের সব খেলা.
শেষ হবে শেষ হবে শেষ হবে
আমার হাজার চাওয়া
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার হাজার চাওয়া নেই
শুধু একটি চাওয়া তুমি
চাই না তোমায় ছাড়া
কোনো স্বর্গসুখ আমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
শুধু একটি চাওয়া তুমি
চাই না তোমায় ছাড়া
কোনো স্বর্গসুখ আমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
আমার চোখে তুমি
ভোরের চেয়ে রঙিন
ও আমার চোখে তুমি
ভোরের চেয়ে রঙিন
চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-তারা
তোমার পাশে মলিন
তাই চাই না কিছু আর
তুমি, শুধু তুমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
ব্যথার স্মৃতি সবই
যায় হয়ে যায় বিলীন
ও ব্যথার স্মৃতি সবই
যায় হয়ে যায় বিলীন
ক্লান্ত চোখে তোমার ছায়া
ভেসে ওঠে যেদিন
তাই চাই না কিছু আর
তুমি শুধু তুমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
শুধু একটি চাওয়া তুমি
চাই না তোমায় ছাড়া
কোনো স্বর্গসুখ আমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
শুধু একটি চাওয়া তুমি
চাই না তোমায় ছাড়া
কোনো স্বর্গসুখ আমি
আমার হাজার চাওয়া নেই
সবাই বলে ভুইলা যা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ সংগৃহীত
সুরঃ সংগৃহীত
সবাই বলে ভুইলা যা
কেমন কইরা আমি ভুলি রে
যার লাইগা হৃদয় পুইড়া কয়লারে
মোর ময়নারে…
কেমন কইরা ভুলি যে তারে
হইল জীবন বালুচর
আপন হইল আমার পর রে
তবু তারে এ অন্তরে রাখিরে
মোর ময়নারে…
কেমন কইরা ভুলি যে তারে
দিনে রাইতে আষাঢ় মাস
দুচোখে দিয়া আমার ঝরে রে
হৃদয় ভরা প্রেমের খরা রইল রে
মোর ময়নারে…
কেমন কইরা ভুলি যে তারে
মন যদি কখনো
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
মন যদি কখনো মেঘে ডেকে যায়
জেনে নিও আছি আমি তারই ছায়ায়
মন যদি কখনো মেঘে ডেকে যায়
জেনে নিও আছি আমি তারই ছায়ায়
চোখ যদি কখনো ভাসে বরষায়
ভেবে আমি আছি তার প্রতিটি ফোটায়
চোখ যদি কখনো ভাসে বরষায়
ভেবে আমি আছি তার প্রতিটি ফোটায়
তুমি ঝড়ো, আমি ঝরি এক ধারায়
মন যদি কখনো মেঘে ডেকে যায়
জেনে নিও আছি আমি তারই ছায়ায়
বুক যদি কখনো উড়ে হয় ছাই
যেন আমি আছি তার প্রতিটি কণায়
বুক যদি কখনো উড়ে হয় ছাই
যেন আমি আছি তার প্রতিটি কণায়
তুমি জ্বলো, আমি জ্বলি এক ব্যথায়
মন যদি কখনো মেঘে ডেকে যায়
জেনে নিও আছি আমি তারই ছায়ায়
মন যদি কখনো মেঘে ডেকে যায়
জেনে নিও আছি আমি তারই ছায়ায়
তারই ছায়ায়... তারই ছায়ায়... তারই ছায়ায়...
ঘুম নেই চোখে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ কাউসার আহমেদ চৌধুরী
সুরঃ লাকী আকন্দ
ঘুম নেই চোখে, একা জেগে আছি
কত কথা মনে পড়ে যায়...
তুমিহীন এই রাত যেন শেষ হতে চায় না,
মন শুধু তোমাকেই খুঁজে পায়।
যেভাবে ছিলে তুমি পাশে হৃদয়ের মাঝে,
আজ কেন দূরে রহো অভিমানী সাজে?
ঝিরি ঝিরি বাতাসে আজ স্মৃতির কণা ওড়ে,
মন পুড়ে যায় একা ব্যথার আঁধারে।
ঘুম নেই চোখে, একা জেগে আছি
কত কথা মনে পড়ে যায়...
তুমিহীন এই রাত যেন শেষ হতে চায় না,
মন শুধু তোমাকেই খুঁজে পায়।
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
প্রশ্ন তোমার আমায় কোথায় রাখো?
হৃদয় বলে হৃদয় জুড়ে' তুমি থাকো।
আকাশ যেমন বুকের মাঝে চাঁদকে রাখে
ঝিনুক যেমন মুক্তোটাকে লুকিয়ে রাখে
রয়েছো তেমনি, রয়েছো তেমনি এ বুকে...
প্রশ্ন তোমার আমায় কোথায় রাখো?
হৃদয় বলে হৃদয় জুড়ে' তুমি থাকো।
তুমি আমার জীবন মরণ, সুখের কাব্যে লেখা
সারাটি বেলা মনে হয় যে তোমার সাথে দেখা
তুমি আমার জীবন মরণ, সুখের কাব্যে লেখা
সারাটি বেলা মনে হয় যে তোমার সাথে দেখা
আকাশ যেমন বুকের মাঝে চাঁদকে রাখে
ঝিনুক যেমন মুক্তোটাকে লুকিয়ে রাখে
রয়েছো তেমনি, রয়েছো তেমনি এ বুকে...
প্রশ্ন তোমার আমায় কোথায় রাখো?
হৃদয় বলে হৃদয় জুড়ে' তুমি থাকো।
দরদিয়া
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ মো. রফিকুজ্জামান
সুরঃ আলী আকবর রুপু
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া রে
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া নিজেই ভাঙ্গিস ঘর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
বনের আগুন দেখে সবাই বন পোড়াইলে রে
বন পোড়াইলে রে
মনের আগুন দেখে না কেও মন পোড়াইলে রে
মন পোড়াইলে রে
ও তুই জ্বেলে দিলি কি যে আগুন রে
ও তুই জ্বেলে দিলি কি যে আগুন বুকেরই ভিতর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
বালুচরে কান্দে নদী মুখ লুকাইয়া রে
মুখ লুকাইয়া রে
বোঝে না কেউ চক্ষু কান্দে জল শুকাইয়া রে
জল শুকাইয়া রে
তবু কেন্দে কেন্দে তোরে নিয়া রে
তবু কেন্দে কেন্দে তোরে নিয়া বাঁচি জনমভর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া রে
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া নিজেই ভাঙ্গিস ঘর
দরদিয়া, তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার দুটি চোখে একটা আকাশ, একটা দিগন্ত
সে আকাশের চন্দ্র তুমি, চির অনন্ত...
আমার দুটি চোখে একটা আকাশ, একটা দিগন্ত
সে আকাশের চন্দ্র তুমি, চির অনন্ত...
তোমার প্রেমে ডুবে রয় আমার এ মন
তুমি ছাড়া বোঝে না তো অন্য কিছু আর কোনো ক্ষণ
তোমার প্রেমে ডুবে রয় আমার এ মন
তুমি ছাড়া বোঝে না তো অন্য কিছু আর কোনো ক্ষণ
তুমি আমার বেঁচে থাকার একমাত্র সান্ত্বনা
আমার দুটি চোখে একটা আকাশ, একটা দিগন্ত
সে আকাশের চন্দ্র তুমি, চির অনন্ত...
পৃথিবীতে ক’জনা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
কেউ জ্বলে নীরবে, কেউ বা মুখে বলে
কেউ হয় এলোমেলো...
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
যাঁর মুখে দেখি যত হাসি,
তাঁর বুকে বাজে বেশি বেদনার বাঁশি ও...
যাঁর মুখে দেখি যত হাসি,
তাঁর বুকে বাজে বেশি বেদনার বাঁশি
অভিনয় করে শুধু আমি কি চলি?
তুমিও চলো...
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
যে মেঘে আগুনের খেলা,
সে মেঘে লুকানো থাকে বরষার মেলা ও...
যে মেঘে আগুনের খেলা,
সে মেঘে লুকানো থাকে বরষার মেলা
সে বরষা বুকে নিয়ে আমি কি চলি?
তুমিও চলো...
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
কেউ জ্বলে নীরবে, কেউ বা মুখে বলে
কেউ হয় এলোমেলো...
পৃথিবীতে ক’জনা, আসলে সুখী বলো?
তুমি বলো, কে যে সুখী?
তুমি বলো, তুমি বলো...
তুমি রাত আমি দিন
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
তুমি রাত আমি দিন
পাশাপাশি প্রতিদিন
তবু কারো মুখ কারো দেখা
হলো না কোনোদিন
তুমি চাঁদ আমি আকাশ
একই শূন্যে মোরা করি বসবাস
তবু রয়েছি কত দূরে
দুজনায়ে চিরদিন
তুমি ফুল আমি বাগান
আমার বুকের মাঝে তোমারই প্রাণ
তবু চলে যাও বুক চিরে
আরও বুকে চিরদিন
তারা ভরা রাত
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আসিফ ইকবাল
সুরঃ লাকী আকন্দ
তারা ভরা রাত, দৃষ্টির দিগন্তে তুমি
এমন রূপালী আলোয়...
তারা ভরা রাত, দৃষ্টির দিগন্তে তুমি
এমন রূপালী আলোয়...
মন বলে তুমি আমারই পাশে আছো
কিসের এত বেদনা?
তুমি ছাড়া এই পৃথিবীর কোনো কিছুকেই
তো আর ভালো লাগে না...
তারা ভরা রাত, দৃষ্টির দিগন্তে তুমি
এমন রূপালী আলোয়...
কত কথা জমে থাকে মনে
তোমাকে পাওয়ার আশায়
তুমি ছাড়া এই জীবনে সুখ যেন নাহি পায়...
কত কথা জমে থাকে মনে
তোমাকে পাওয়ার আশায়
তুমি ছাড়া এই জীবনে সুখ যেন নাহি পায়...
মন বলে তুমি আমারই পাশে আছো
কিসের এত বেদনা?
তুমি ছাড়া এই পৃথিবীর কোনো কিছুকেই
তো আর ভালো লাগে না...
তারা ভরা রাত, দৃষ্টির দিগন্তে তুমি
এমন রূপালী আলোয়...
তোরে পুতুলের মতো
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
সুরঃ নকীব খান
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো...
আমি নেই নেই নেই রে
আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো...
তোর রিণিঝিণি কাঁকণের ছন্দ
নির্ঘুম স্বপ্নে বাজে রে
আর নন্দিত বাঁধনের শিহরণ
দু'চোখের জানালায় জাগে রে...
তোরে রঙধনুর সাত রঙে রাঙিয়ে
ফুলদানি সাজিয়ে রাখবো
আর কপালেতে নীল টিপ পরিয়ে
প্রেমেরই আল্পনা আঁকবো...
আমি নেই নেই নেই রে
আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোর ভাবনার করিডোরে সারাদিন হেঁটে হেঁটে
যেন আমি মরেছি
আর স্বপ্নেতে জেগে জেগে পাহারায়
অধরেতে ঠাঁই করে নিয়েছি...
তোরে বুকেরই কারাগারে চিরদিন
বন্দী করেই আমি রাখবো
আর শূন্য জীবনে আমারই অনিমেষে
জড়িয়ে রাখবো...
আমি নেই নেই নেই রে
আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো...
আমি নেই নেই নেই রে
আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তুমি রাত আমি দিন
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
জীবনের ধারাটাকে পোশাকের মতো যদি বদলানো যেতো
জীবনের ধারাটাকে পোশাকের মতো যদি বদলানো যেতো
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
জীবনের ধারাটাকে পোশাকের মতো যদি বদলানো যেতো
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
পুলের মতো যদি ব্যথার স্মৃতি
হৃদয়ের শাখা থেকে ঝরে যেতো...
পুলের মতো যদি ব্যথার স্মৃতি
হৃদয়ের শাখা থেকে ঝরে যেতো...
এত মন তাহলে স্মৃতিরই দাবানলে কি আর জ্বলতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
পৃথিবীতে যদি চাওয়া-পাওয়ার
হিসেবের খাতাটা মিলে যেতো...
পৃথিবীতে যদি চাওয়া-পাওয়ার
হিসেবের খাতাটা মিলে যেতো...
কারো আশা তাহলে ভাঙনের যাতাকলে কি আর পড়তো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
জীবনের ধারাটাকে পোশাকের মতো যদি বদলানো যেতো
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
তবে কি কারো সুখের অ-সুখ হতো?
আমার খাঁচার পাখি
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার খাঁচার পাখি...
আমার খাঁচার পাখি আর কারো খাঁচাতে থাকতে দেবোনা, আমি দেবোনা
চোখের সামনে যদি আর কারো হয়ে যা
তাকে তো মেনে নেয়া যাবে না, যাবে না ও
আমার খাঁচার পাখি আর কারো খাঁচাতে থাকতে দেবোনা, আমি দেবোনা...
দোষ মানো আর নাই মানো, কথা শোনো আর নাই শোনো
দোষ মানো আর নাই মানো, কথা শোনো আর নাই শোনো
আমার শিকল পরে থাকতে হবে জেনো
কখনো ছাড়া তুমি পাবে না, পাবে না ও
আমার খাঁচার পাখি...
আমার খাঁচার পাখি আর কারো খাঁচাতে থাকতে দেবোনা, আমি দেবোনা...
দোষে ধরে যত দোষী ভাবো, বশীকরণ আমি করে যাবো
দোষে ধরে যত দোষী ভাবো, বশীকরণ আমি করে যাবো
আমার না হলে আমি কারো হতে দেবো না
সে কথা কভু তুমি ভুলো না, ভুলো না ও
আমার খাঁচার পাখি...
আমার খাঁচার পাখি আর কারো খাঁচাতে থাকতে দেবোনা, আমি দেবোনা
চোখের সামনে যদি আর কারো হয়ে যা
তাকে তো মেনে নেয়া যাবে না, যাবে না ও
আমার খাঁচার পাখি...
আমার খাঁচার পাখি আর কারো খাঁচাতে থাকতে দেবোনা, আমি দেবোনা...
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
তার কাছে বারবার
ঘুমের ঔষধগুলো
একে একে মেনে যায় হার
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
স্বপ্ন আমার ভেঙ্গে হলো চুরমার
এক কথাতেই তোমার
ও স্বপ্ন আমার ভেঙ্গে হলো চুরমার
এক কথাতেই তোমার
এক যুগ পাশে থেকে
যে চলে যায় তাকে
এক যুগ পাশে থেকে
যে চলে যায় তাকে
কি থাকে বলার?
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
ভাঙলে জীবন
কোনো মানুষের মন
সাজে কি বলো বারেবার
ও ভাঙলে জীবন
কোনো মানুষের মন
সাজে কি বলো বারেবার
যে ক্ষতি করে গেলে
সুনিপুণ কৌশলে
যে ক্ষতি করে গেলে
সুনিপুণ কৌশলে
ক্ষমা নেই তার
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
তার কাছে বারবার
ঘুমের ঔষধগুলো
একে একে মেনে যায় হার
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
শূন্য জীবন পূর্ণ করে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
তোমার শূন্য জীবন পূর্ণ করে
এখন আমি শূন্য রে...
তোমার হাসি দেখতে গিয়ে
ভাসি চোখের জলে রে...
তোমার শূন্য জীবন পূর্ণ করে
এখন আমি শূন্য রে...
তোমার হাসি দেখতে গিয়ে
ভাসি চোখের জলে রে...
তোমার শূন্য জীবন পূর্ণ করে...
আমার সুখের ঠিকানায় আজ কেবলই আঁধার,
তুমি ছাড়া এ জীবনে নেই তো কোনো আবদার।
তুমি ভালো থেকো শুধু অন্য কারো তরে,
আমি না হয় বেঁচে রবো এই স্মৃতিগুলো ধরে।
তোমার সুখের মিনার গড়ে আমার বুকের পরে,
আজ কেন চলে গেলে এমন করে দূরে?
তোমার শূন্য জীবন পূর্ণ করে
এখন আমি শূন্য রে...
তোমার হাসি দেখতে গিয়ে
ভাসি চোখের জলে রে...
শূন্য জীবন পূর্ণ করে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
স্মৃতির শিকড় বুকে চিরদিন থাকবে
ও সেই স্মৃতি মনে করে ব্যথাগুলো বাড়বে
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
স্মৃতির শিকড় বুকে চিরদিন থাকবে
সেই স্মৃতি মনে করে ব্যথাগুলো বাড়বে
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
ও মন সে তো জারি হোক ভুল কিছু করবে
এ মাঝে মাঝে সেই ভুলে মন তার জ্বলবে
এর মাঝে যদি কেউ হাসতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
এর মাঝে যদি কেউ হাসতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
স্মৃতির শিকড় বুকে চিরদিন থাকবে
ও সেই স্মৃতি মনে করে ব্যথাগুলো বাড়বে
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
জীবন চলার পথে কত কিছু ঘটবে
ও কত বাধা পথে এসে রুখে দিতে আসবে
তার মাঝে যদি কেউ চলতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
তার মাঝে যদি কেউ চলতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
স্মৃতির শিকড় বুকে চিরদিন থাকবে
সেই স্মৃতি মনে করে ব্যথাগুলো বাড়বে
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
তার মাঝে যদি কেউ বাঁচতে দেখি, ও সে-ই তো সুখী
শূন্য জীবন পূর্ণ করে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন আধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার চোখের দেখা ভুল হলো
তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা
বিষ আছে অন্তরে।
মুখটি তোমার পূর্ণিমা চাঁদ
মনটা অমাবস্যা
আজকে দেখি রোদ্রে থাকে
কালকে দেখি বর্ষা।
তুমি কেমন করো মানুষ রে
আমি হাড়ে হাড়ে বুঝি রে
বাইরে থেকে যায়নি বোঝা
বিষ আছে অন্তরে।
মিষ্টি কথার অন্তরালে
ধ্বংস করার মন্ত্র
কিভাবে যে মন ভাঙা যায়
করতে ষড়যন্ত্র।
তোমায় না চেনার এই মাশুল রে
আমি দেবো এই জীবন ভরে
বাইরে থেকে যায়নি বোঝা
বিষ আছে অন্তরে।
আমার চোখের দেখা ভুল হলো
তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা
বিষ আছে অন্তরে।
দরদিয়া••••
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
কেন এই বুকেতে
ঘর বানাইয়া রে••••কেন
এই বুকেতে ঘর বানাইয়া••
নিজেই ভাঙ্গিস ঘর
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
বনের আগুন দেখে সবাই
বন পোড়াইলে রে••••
বন পোড়াইলে রে••••
মনের আগুন দেখেনা কেউ
মন পোড়াইলে রে••••
মন পোড়াইলে রে••••
ও তুই জ্বেলে দিলি
কি যে আগুন রে••ও তুই
জ্বেলে দিলি কিযে আগুন
বুকেরই ভিতর••••
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
বালুচরে কান্দে নদী
মুখ লুকাইয়া রে••••
মুখ লুকাইয়া রে••••
বোঝেনা কেউ চক্ষু কান্দে
জল শুকাইয়া রে••••
জল শুকাইয়া রে••তবু
কেন্দে কেন্দে তরে নিয়া রে••তবু
কেন্দে কেন্দে তরে নিয়া••
বাঁচি জনম ভর
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর••••
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া রে•••
কেন এই বুকেতে ঘর বানাইয়া••
নিজেই ভাঙ্গিস ঘর
দরদিয়া••••
তুই যে আমার অন্তরে অন্তর
দরদিয়া••••
ডিসকো পিয়াসী
কথাঃ নজরুল ইসলাম বাবু
সুরঃ জালাল আহমেদ
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत, তো হাম ইয়ে সারে জাহা সে কেহ দে...
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत, তো হাম ইয়ে সারে জাহা সে কেহ দে...
তুমহারি আদা পে মরতে হে হাম, ইয়ে কিসনে কহা হে কি ডারতে হে হাম!
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत, তো হাম ইয়ে সারে জাহা সে কেহ দে, হুজুরে ওয়ালা...
কিউ না কেহ দে মোহাব্বত খুদা হে, ইয়ে হাকিকত নেহি হে তো ক্যা হে?
কিউ না কেহ দে মোহাব্বত খুদা হে, ইয়ে হাকিকত নেহি হে তো ক্যা হে?
ও দিলবালে, দাউ লাগালে, কর দিয়া দিল কো তেরে হাওয়ালে...
কাদা লুৎফ চূপ চূপ কে জলনে মে হে, মাজা তীর খাকার সংভলনে মে হে!
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत, তো হাম ইয়ে সারে জাহা সে কেহ দে, হুজুরে ওয়ালা...
দেখিএ তো জরা মুসকুরাকে, কৌন বৈঠা হে পহলু মে আকে...
দেখিএ তো জরা মুসকুরাকে, কৌন বৈঠা হে পহলু মে আকে...
ও দিলবালে, দাউ লাগালে, কর দিয়া দিল কো তেরে হাওয়ালে...
ইয়ে দিল কি নিগাহে মাজার কর গ্যই, পাতা না চলা জুল্ম কব কর গ্যই!
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत, তো হাম ইয়ে সারে জাহা সে কেহ দে...
তুমহারি আদা পে মরতে হে হাম, ইয়ে কিসনে কহা হে কি ডারতে হে হাম!
হুজুরে ওয়ালা, যো হো इजाजत...
তোর প্রেমের কাঁটা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ কুমার বিশ্বজিৎ
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
তোর প্রেমের কাঁটা বিধবে বুকে যদি জানিতাম...
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না... রে
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না...
তোর প্রেমের আগুনে পুইরা মরুম যদি জানতাম...
সেই আগুনে হাত দিতাম না....রে
সেই আগুনে হাত দিতাম না...
ও বন্ধু রে...
পোড়াইলি মোর সাধের ঘরটা তুই
পোড়াইলি মোর সাধের ঘরটা তুই
তোর প্রেমের আগুনে পুইরা মরুম যদি জানতাম...
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না...
জোসনা ভরা সেই রাতে তুই ছিলি আমারি সাথে
ও ও মনে পড়ে না কি সেই কথা দুটি মনে ছিল চঞ্চলতা
আজ তুই নেই, কোনো কিছু নেই
আজ তুই নেই, কোনো কিছু নেই...
তোর প্রেমের আগুনে পুইরা মরুম যদি জানতাম...
সেই আগুনে হাত দিতাম না....রে
সেই আগুনে হাত দিতাম না...
তোর প্রেমের কাঁটা বিধবে বুকে যদি জানিতাম...
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না...
কত সখে গইড়াছিনু ঘর.. ভেঙ্গে দিল কালবৈশাখী ঝড়
হুম কাটা বেধা মনও নিয়ে চলেছি ব্যাথা টুকু
হারিয়ে ফেলে আসা দিন ভোলা যায় না
ফেলে আসা দিন ভোলা যায় না...
তোর প্রেমের কাঁটা বিধবে বুকে যদি জানিতাম...
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না... রে
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না...
ও বন্ধু রে...
পোড়াইলি মোর সাধের ঘরটা তুই
পোড়াইলি মোর সাধের ঘরটা তুই
তোর প্রেমের কাঁটা বিধবে বুকে যদি জানিতাম...
তোর ঘরে কোনো দিন যাইতাম না...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
সুরঃ নকিব খান
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো
আমি নেই নেই নেই রে, আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো
তোর রিণিঝিণি কাঁকণের ছন্দ
র্নিঘুম স্বপ্নে বাজে রে
আর নন্দিত বাঁধনের শিহরণ
দু'চোখের জানালায় জাগে রে
তোরে রংধনু সাত রঙে রাঙিয়ে
ফুলদানী সাজিয়ে রাখবো
আর কপালেতে নীল টিপ পড়িয়ে
প্রেমেরই আল্পনা আঁকবো
আমি নেই নেই নেই রে, আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোর ভাবনার করিডোরে
সারাদিন হেঁটে হেঁটে যেন আমি মরেছি
আর স্বপ্নেতে জেগে জেগে পাহারায়
অধরেতে ঠাঁই করে নিয়েছি
তোরে বুকেরই কারাগারে
চিরদিন বন্দী করেই আমি রাখবো
আর শূন্য জীবনে আমারই
অনিমেষে জড়িয়ে রাখবো
আমি নেই নেই নেই রে, আমি নেই নেই নেই রে
যেন তোরই মাঝে হারিয়ে গেছি...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবো
আমি নেই নেই নেই রে, আমি নেই নেই নেই রে
আমি নেই নেই নেই রে...
বলো না, আরও কিছু বলো না
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ মনিরুজ্জামান মনির
সুরঃ আবু তাহের
বলো না, আরও কিছু বলো না
চলো না, আরও দূরে চলো না
ছলো না, আর তো নয় ছলো না
খেলো না, প্রেমেরই খেলা খেলো না
তুমি আমায় ভুলো না
তুমি আমায় ভুলো না
আসো যদি ঝড়ে ফুলেরই বৃষ্টি
বি করে যে পীরায় আমারই দৃষ্টি
লা লা লা লা...
হাসো না, আরও তুমি হাসো না
বাসো না, আরও ভালো বাসো না
ছলো না, আর তো নয় ছলো না
খেলো না, প্রেমেরই খেলা খেলো না
তুমি আমায় ভুলো না
তুমি আমায় ভুলো না
কাছে যদি এলে ভুলো গো দ্বন্দ্ব
করো না যা চাই ভালো কি মন্দ
লা লা লা লা...
এসো না, আরও কাছে এসো না
মিশো না, প্রাণে প্রাণে মিশো না
ছলো না, আর তো নয় ছলো না
খেলো না, প্রেমেরই খেলা খেলো না
তুমি আমায় ভুলো না
তুমি আমায় ভুলো না
বলো না, আরও কিছু বলো না
চলো না, আরও দূরে চলো না
ছলো না, আর তো নয় ছলো না
খেলো না, প্রেমেরই খেলা খেলো না
তুমি আমায় ভুলো না
তুমি আমায় ভুলো না