কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
তোমারই জন্মে শুধু এই বেঁচে থাকা
কথা আমারই কথা... ও...
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
বুকের মাঝে বড় কষ্ট নিয়ে
বয়ে চলে আমারই জীবন
কোন অনুভূতি নেই হৃদয়ে আমার
সে শুধু তোমারই কারণ
নিরঘুম প্রতিরাত যায় কেটে যায়
কি যে এক নিঃসঙ্গতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
বড় একা হয়ে গেছি আমি
কেউ নেই আমারই পাশে
আমার সুখের আঁধ হারিয়ে গেছে
বেদনার নীল আকাশে
কিছুতে যায় না ভোলা তোমাকে
এ আমার অপারগতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
তোমারই জন্মে শুধু এই বেঁচে থাকা
কথা আমারই কথা... ও...
কথা, তোমারই জন্য শুধু এই নীরবতা
প্রেম তো চরের জমি নয়
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
সবই আছে, তবু জীবন মিছে মনে হয়
জীবনেতে আসে যদি প্রেমের পরাজয়
বন্ধু, জীবনেতে আসে যদি প্রেমের পরাজয়
প্রেম তো বসতবাড়ি নয়, দলিল করে রাখা হয়
প্রেম তো বসতবাড়ি নয়, দলিল করে রাখা হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
রীতিনীতি, শাসন-বারণ প্রেমে কি আর হয়
সব কিছুরই শেষ আছে, প্রেমের মরণ নয়
বন্ধু, সব কিছুরই শেষ আছে, প্রেমের মরণ নয়
প্রেম তো জোতির্বিদ্যা নয়, গণক দিয়ে গোনা হয়
প্রেম তো জোতির্বিদ্যা নয়, গণক দিয়ে গোনা হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেম তো চরের জমি নয়, জবরদখল করে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
প্রেমের দখল পেতে হলে প্রেমে নিতে হয়
একতারা বাজাইও না
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ট্রেডিশনাল
সুরঃ ট্রেডিশনাল
তোমরা একতারা বাজাইও না, দোতারা বাজাইও না
একতারা বাজাইও না, ঢাক-ঢোল বাজাইও না
গীটার আর বংগ বাজাও রে
ও তোমরা গীটার আর বংগ বাজাও রে
একতারা বাজাইলে মনে পইড়া যায়
আমার একতারা বাজাইলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
আলতা পরিও না, তোমরা শাড়ি পরিও না
আলতা পরিও না, শাড়ি পরিও না
প্যান্ট আর ম্যাক্সি পরো রে
তোমরা প্যান্ট আর ম্যাক্সি পরো রে
আলতা শাড়ি পরিলে মনে পইড়া যায়
আমার আলতা শাড়ি পরিলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
সুক্ত রাঁধিও না, তোমরা পায়েস রাঁধিও না
সুক্ত রাঁধিও না, পায়েস রাঁধিও না
মোগলাই আর চাইনিজ রাঁধো রে
ও তোমরা চাইনিজ আর মোগলাই রাঁধো রে
সুক্ত পায়েস রাঁধিলে মনে পইড়া যায়
আমার সুক্ত পায়েস রাঁধিলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
জারি গাইও না, বাউল গাইও না
তোমরা কীর্তন গাইও না, বাউল গাইও না
ডিস্কো আর রকই গাও রে
তোমরা ডিস্কো আর রকই গাও রে
কীর্তন বাউল গাইলে মনে পইড়া যায়
আমার কীর্তন বাউল গাইলে মনে পইড়া যায়
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
একদিন বাঙালি ছিলাম রে...
প্রহরী
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
সুরঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তোমায় নিয়ে হতেও পারে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তুমি কারো দিকে দিও নাকো দৃষ্টি
এতে হতে পারে মহা অনাসৃষ্টি
তুমি কারো দিকে দিও নাকো দৃষ্টি
এতে হতে পারে মহা অনাসৃষ্টি
হতে পারে সবার বুকে
কোনো এক আগুনের বৃষ্টি
সেই আগুনের প্রতিক্রিয়া
থাকতে পারে শতবর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তুমি যারে দেবে তোমারই এ মনটা
জানি চলে যাবে তারই জীবনটা
তুমি যারে দেবে তোমারই এ মনটা
জানি চলে যাবে তারই জীবনটা
একজনকে শুধু ভালোবেসে
বাজিও না মৃত্যুর ঘন্টা
সুন্দরীদের মাঝে যেন
একজনই তুমি আদর্শ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
তোমায় নিয়ে হতেও পারে
রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
প্রতিটি যুবক চাইতে পারে
তোমার প্রেমের স্পর্শ
কিছু প্রহরী সঙ্গে রাখো
খুব সাবধানে তুমি থাকো
ও ডাক্তার
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
সুরঃ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
ছুরি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
এই মেয়েটির জন্য বুকে আমার এই অসহ্য ব্যথা
এই ব্যথার মাঝেও লাগছে ভালো বলতে তারই কথা
এই মেয়েটির জন্য বুকে আমার এই অসহ্য ব্যথা
এই ব্যথার মাঝেও লাগছে ভালো বলতে তারই কথা
দেখবেন কোনো মতেই যেন ঘুম থেকে না জাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
এই মেয়েটির জন্য আহার-নিদ্রা সবই গ্যাছে চলে
তবু বেঁচে আছি পৃথিবীতে, মেয়েটি আছে বলে
এই মেয়েটির জন্য আহার-নিদ্রা সবই গ্যাছে চলে
তবু বেঁচে আছি পৃথিবীতে, মেয়েটি আছে বলে
দু’জনারই প্রেমের বন্ধন রাগ আর অনুরাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি
দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারী
ছুরি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে
আমার বাঁচা-মরা পরে, তার জীবনটা আগে
গো ডাক্তার, ও ডাক্তার...
ও ডাক্তার, ও ডাক্তার...
চন্দনা গো
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ এ হাই আল হাদী
সুরঃ আবিদ হোসাইন
চন্দনা গো, রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো.. চন্দনা গো… রাগ করো না
সময় চলে যায়, মন শুধু জ্বলে যায়
তৃষ্ণার জল নিয়ে এসো না তবে
ও.. সময় চলে যায়, মন শুধু জ্বলে যায়
তৃষ্ণার জল নিয়ে এসো না তবে
চন্দনা গো... রাগ করো না
সব গান থেমে যায়, সব ফুল ঝরে যায়
লজ্জা বসন ছেড়ে এসো না তবে
ও.. সব গান থেমে যায়, সব ফুল ঝরে যায়
লজ্জা বসন ছেড়ে এসো না তবে
চন্দনা গো... রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো... চন্দনা গো… রাগ করো না
অভিমান করে বলো আর কি হবে
হো... চন্দনা গো…
এক পশলা বৃষ্টিতে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আশরাফ বাবু
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে...
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে...
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
দেখা হতো চুপি চুপি কিছুটা সময়
কথা হতো চোখে চোখে তাও বেশি নয়
ভালো লাগা এত বেশি ছিল দু’জনায়
ভালোবাসি এ কথাটি আসেনি ভাষায়
তাই বুঝি স্মৃতির মেঘেরা ভিজিয়ে গেল আমাকে
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
চেয়েছিল দুটি মন এক হয়ে যায়
সে চাওয়া রয়ে গেল আশায় আশায়
অপারগতায় যদি অপরাধী হই
থাক না স্মৃতিটুকু এ পর্যন্তই
কোন ভুলে এমনটা হলো কার সেই সৃষ্টিতে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি করে আমাকে?
এক পশলা বৃষ্টিতে অথবা কোনো রোদ্দুরে
স্মৃতিগুলো ভিড় করে হৃদয়ের দৃষ্টিতে
কখনো মনে পড়ে কি এমনি দিনে আমাকে?
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ মাহফুজুর রহমান
সুরঃ শেখ সাদী খান
তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে
ফুল নিতে আসতে
জানিনা তুমি ফুল না আমাকেই
বেশি ভালবাসতে
প্রতিদিন তুমি দেখতে আমায়
গোলাপের আড়ালে লুকিয়ে
যখনই চোখে চোখ পড়তো
লজ্জায় যেতে শুধু পালিয়ে।
কি ছিল তোমার মনে
কি ছিল তোমার মনে
পারিনি তা আজো জানতে
স্বপনের মত গেলে কোথায়
অজানাই হারিয়ে কে জানে
নিরবেই চির দিনটাই তো
স্বপ্নের বাঁশী বাজে এ প্রাণে
পারিনি আমি আজো
পারিনি আমি আজো
সেই স্মৃতির ইতি টানতে
আমার চোখের দেখা
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
মুখটি তোমার পূর্ণিমার চাঁদ মনটা অমাবস্যা
আমি হাড়ে হাড়ে বুঝিরে বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
মিষ্টি কথার অন্তরালে দংশ করার মন্ত্র
কিভাবে যে মন ভাঙা যায় করতে ষড়যন্ত্র
ও... মিষ্টি কথার অন্তরালে দংশ করার মন্ত্র
কিভাবে যে মন ভাঙা যায় করতে ষড়যন্ত্র
তোমায় না চেনার এ মাশুল রে আমি দেবো এ জীবন ভরে
বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
তাহলে কি ভেবে নেবো
তাহলে কি ভেবে নেবো
তোমার সময় এখন ভালো নয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
চেয়েছিলে সুখী যেন আমি না হই
ব্যথারই অথৈ জলে শুধু ডুবে রই
ও চেয়েছিলে সুখী যেন আমি না হই
ব্যথারই অথৈ জলে শুধু ডুবে রই
তোমার অভিশাপের মাঝেও জীবন
যদি আরো ভালো রয়
তাতে তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
এক মাঘে কি আর শীত চলে যায়
সবারই সময় কি একই থাকে হায়
ও এক মাঘে কি আর শীত চলে যায়
সবারই সময় কি একই থাকে হায়
তোমার পথের কাঁটা গোলাপ হয়ে
কারো মন করে জয়
তাতে তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
তাহলে কি ভেবে নেবো
তাহলে কি ভেবে নেবো
তোমার সময় এখন ভালো নয়
আমার ভালো থাকার কথা শুনে
তোমার কেন হিংসে হয়
জন্মিলে মরিতে হবে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
জন্মিলে মরিতে হবে
ওরে…এ ভবের রঙ্গ
হবে যে ভঙ্গ সবই
সাধেরি অঙ্গ তোমার
মাটিতে মিলাবে
ওরে ও ভাই
হুঁশ কারো নাই
জীবনের সময় বেশীদিনের নয়
কে খাবে তোমার এ সঞ্চয়
ওরে…বেশী খাওয়ার জায়গা নাই
তবু করো খাই খাই
এ খাওয়ার রাস্তা তোমার
বন্ধ হয়ে যাবে
ওরে ও ভাই
হুঁশ কারো নাই
নামের আগে পরিচয়
গায়ে লেখো মহাশয়
ও পারে নাম দিয়া কি হয়
ওরে…মাটির ঘরের বিছানা
সবারইতো ঠিকানা
রাজা প্রজা বিচারপতি
একই বিচার পাবে
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
কত রাতে তোমাকেই খুঁজেছি একা,
মায়াবী জোছনায় হলো না দেখা।
কত রাতে তোমাকেই খুঁজেছি একা,
মায়াবী জোছনায় হলো না দেখা।
স্মৃতির চাদরে মোড়া সেই দিনগুলো
আজও দেয় মনে বারবার হুঙ্কার...
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার।
ভুলে যাওয়া এত কি সহজ বলো?
মন বলে তুমি আজও আমারই তো হোলো।
ভুলে যাওয়া এত কি সহজ বলো?
মন বলে তুমি আজও আমারই তো হোলো।
অঝোরে ঝরে যায় চোখেরই জল
প্রেমের সাগরে নামে বুঝি জোয়ার...
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার
সে ব্যথা বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভার,
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
আমি নির্বাসনে যাবো না,
মাথা ভরা জটা চুলে মুনি-ঋষি হবো না।
আমি তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি,
তুমি ছাড়া হাসতে পারি,
পারি আমি পালটে দিতে তোমার মিছে ধারণা—
আমি নির্বাসনে যাবো না।
পাগল হয়ে পাগলা গারদ ধরে কভু কাঁদবো না,
দাড়ি-গোঁফে মুখটা ঢেকে দেবুবাবু সাজবো না।
পাগল হয়ে পাগলা গারদ ধরে কভু কাঁদবো না,
দাড়ি-গোঁফে মুখটা ঢেকে দেবুবাবু সাজবো না।
আমি ভালোবাসার মূল্য জানি,
ভালোবেসে মরতে জানি,
মন থেকে মুছতে জানি তোমার মতো ললনা—
আমি নির্বাসনে যাবো না।
গভীর রাতে স্বপ্ন দেখে দুঃখ পেয়ে কাঁদবো না,
কবি হয়ে কাব্য লিখে তোমায় নিয়ে ভাববো না।
গভীর রাতে স্বপ্ন দেখে দুঃখ পেয়ে কাঁদবো না,
কবি হয়ে কাব্য লিখে তোমায় নিয়ে ভাববো না।
আমি মনের মানুষ ঠিকই চিনি,
বুকের মাঝে টানতে জানি,
আস্তাকুঁড়ে ফেলতে পারি তোমার দেওয়া ছলনা—
আমি নির্বাসনে যাবো না,
মাথা ভরা জটা চুলে মুনি-ঋষি হবো না।
আমি তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি,
তুমি ছাড়া হাসতে পারি,
পারি আমি পালটে দিতে তোমার মিছে ধারণা—
আমি নির্বাসনে যাবো না,
আমি নির্বাসনে যাবো না।
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ ড. গোলাম মুস্তাফা
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা,
কেটে গেছে যেন কোনো তীক্ষ্ণ ছুঁচে!
তুমি আজও আছো আগের মতোই ভালো,
আমি শুধু পুড়ে মরি স্মৃতির আঁচে।
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা...
কত আশা নিয়ে বেঁধেছিনু ঘর,
সব কিছু আজ কেন হলো যে পর?
কত আশা নিয়ে বেঁধেছিনু ঘর,
সব কিছু আজ কেন হলো যে পর?
অবুঝ এ মনে জমে আছে ব্যথা,
কাকে গিয়ে আজ বলবো সে কথা?
চোখের পাতায় শুধু জমা হলো জল,
তুমি ছাড়া এ জীবনে কে আছে বল?
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা...
সুখের প্রদীপ জ্বেলে মনের মন্দিরে,
আজ কেন তুমি গেলে গো দূরে ফিরে?
সুখের প্রদীপ জ্বেলে মনের মন্দিরে,
আজ কেন তুমি গেলে গো দূরে ফিরে?
পথ চেয়ে একা কাটে যে সময়,
তুমি ছাড়া আমার তো কেউ বা নাই।
ভাঙা এ হৃদয়ে আজও শুধু তোমারই,
অফুরন্ত ভালোবাসা খুঁজে আমি বেড়াই।
তোমার সিঁথির মতো আমার বুকটা,
কেটে গেছে যেন কোনো তীক্ষ্ণ ছুঁচে!
তুমি আজও আছো আগের মতোই ভালো,
আমি শুধু পুড়ে মরি স্মৃতির আঁচে।
যে ব্যথা দিয়ে গেলে উপহার...
বসন্ত ছুঁয়েছে
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ আশরাফ বাবু
সুরঃ পার্থ বড়ুয়া
বসন্ত ছুঁয়েছে আমাকে
ঘুমন্ত মন তাই জেগেছে
এখন যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
বিমূর্ত সন্ধ্যার গোধুলিতে
প্রিয় প্রসঙ্গ (?) হয়েছে
জীবন সেখানে থেমে যায়
যেখানে খুঁজেছি তোমার
তাই যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
নিবিড় প্রেমের কাহিনীতে
স্মৃতিগুলো উঁকি দেয়
চাওয়া পাওয়ার হিসেবে
কিছুই যে থাকে না শেষে
তাই যে প্রয়োজন তোমাকে
নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে
তোমার সিঁথির
শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ
কথাঃ অরুন চৌধুরী
সুরঃ কুমার বিশ্বজিৎ
যে শিকারী দেখে দেখে না
সে অন্ধ শিকারী জানেনা
এক জীবনে ভালবাসা আসে কি আসেনা
পৃথিবীর এই যে নিয়ম কভু সুখ কভু বেদনা।
চমকে যাওয়া চোখের কোণে অন্য সুরের খেলা
হঠাত যেন ভোরের ফুল ফোটে বিকেল বেলা
জীবনের এই যে নিয়ম বিষ্ময়ের রঙ্গীন সুতোয়
নতুন গল্প বোনা।
ব্যাথার ঝড়ে কুড়িয়ে পাওয়া অনুভবের ফুল
হঠাত সুখে ভেসে যাওয়া দুঃখ ব্যাথা ভুল
জীবনের এই যে নিয়ম
বুক ভরা অভিমানে শুধুই আনাগোনা।।